বিএনপি নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাতে এক ফেসবুক পোস্টে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এনেছেন। আসিফ মাহমুদ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র, আগে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ছিলেন।
রাশেদের দাবি, এসব অভিযোগ ও বিতর্কের কারণেই ঢাকা-১০ আসনে জামায়াত আসিফ মাহমুদকে মনোনয়ন দেয়নি। অনেক দরকষাকষির পরও জামায়াতের আমির আসনটি ছাড়েননি, দুর্নীতির অভিযোগের দায়ও নিতে চায়নি দলটি; এ নিয়ে এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলাম বিভিন্নজনের কাছে আক্ষেপ করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
তার আরও দাবি, ড. মুহাম্মদ ইউনূস এ নিয়ে ফোন করলে জামায়াতের আমির দরকারে আরও দুই-তিনটি আসন ছাড়ার কথা বলেন, কিন্তু আসিফ মাহমুদের বিষয়ে অনুরোধ করতে নিষেধ করেন।
রাশেদের ভাষ্য, এনসিপির নেতাকর্মীদের কাছে আসিফ মাহমুদের দুর্নীতির বিষয়টি ‘ওপেন সিক্রেট’; মাত্র ১৮ মাসের উপদেষ্টা জীবনে তিনি যেন আলাদিনের চেরাগ পেয়ে গিয়েছিলেন।
রাশেদের মতে, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কোনো কর্মকর্তার কথায় শব্দের এদিক-ওদিক হলেই আসিফ মাহমুদ দায় এড়াতে পারেন না। তার দাবি, আসিফ মাহমুদের তরফে এক ব্যক্তিকে মোটা অঙ্কের টাকা দেওয়ার ঘটনা তিনি জানেন; একজন উপদেষ্টাকে তা জানালে তিনিও বেতনের টাকায় এত অর্থ দেওয়া সম্ভব নয় বলে আক্ষেপ করেছিলেন।
ওমরাহ পালন করে ফেরা আসিফ মাহমুদের উদ্দেশে রাশেদ বলেন, কম বয়সের ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করলে তিনি বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখতেন।






