দলীয় প্রভাব খাটিয়ে চাঁদা তুলতে গিয়ে বিএনপির লোকজন জনতার হাতে মার খেয়েছেন—এমন দাবি জুড়ে দিয়ে সম্প্রতি একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, রাতে একটি ফ্লাইওভারের নিচে বিবস্ত্র এক ব্যক্তিকে কয়েকজন মারধর করছেন এবং একপর্যায়ে সেখানে কয়েকজন পুলিশ সদস্য উপস্থিত হন।
তবে যাচাই করে দেখা গেছে, ঘটনাটির সঙ্গে চাঁদাবাজি বা বিএনপির কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। চট্টগ্রামের পুরনো ইপিজেড থানা ভবনের উল্টো পাশে গত ৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারীর সঙ্গে একই রকম অসুস্থ এক যুবকের বাগবিতণ্ডা হয়। যুবকটি নারীর ওপর চড়াও হলে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীরা তাকে রক্ষায় এগিয়ে এসে যুবককে ধাওয়া করেন; ভিডিওটি সেই ঘটনারই।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী, স্থানীয় ফুচকা বিক্রেতা মো. রাজিবও একই তথ্য দেন। ইপিজেড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মাদ আতিকুর রহমান জানান, দুই মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষের বিবাদকে কেন্দ্র করে এলাকায় কিছুটা উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল।
ওসির ভাষ্য, স্থানীয়রা যুবকটিকে সরিয়ে দিতে না পারায় থানার একটি টহল দল গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয় এবং তাকে সেখান থেকে সরিয়ে নেয়। তিনি জানান, সেখানে বড় ধরনের কোনো মারামারি হয়নি, কেউ হতাহতও হননি; স্বাভাবিক পুলিশি দায়িত্বের অংশ হিসেবে নানা সময়ে এমন পরিস্থিতি সামলাতে হয়।






