ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, সরকারকে সময় দিতে চান বলে এখনই এক দফার আন্দোলনে যাচ্ছেন না তারা। তবে দাবি মানা না হলে আজকের আট দফা কাল ১০ দফা হবে এবং শেষমেশ সব দাবি এক দফায় গিয়ে মিলতে পারে বলে সতর্ক করেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা।
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর চৌমাথা মোড়ে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ১১ দলের লংমার্চের পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এ কথা বলেন। সরকারের শুভবুদ্ধির উদয় না হলে অন্যায়কারী ও অন্যায় সহ্যকারী দুপক্ষই ঘৃণার যোগ্য—এ কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা ওই পাপের ভাগ নিতে রাজি হবো না।’
শফিকুর রহমান বলেন, এই লংমার্চ দেশের ১৮ কোটি মানুষের দাবি আদায়ের জন্য। গণরায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়িত হলে, চাঁদাবাজি-দুর্নীতি বন্ধ হলে, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, ন্যায্যমূল্যে সার ও জীবনের নিরাপত্তা মিললে কিংবা তেলের সংকট না থাকলে তাদের লংমার্চে নামতে হতো না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, আইনশৃঙ্খলার উন্নতি, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও সার সংকটের সমাধান, দুর্নীতি-চাঁদাবাজি বন্ধ এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবিতে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর পর্যন্ত এই লংমার্চ করে।
পথসভায় সভাপতিত্ব করেন অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলাম লেবু, যিনি গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্যাপুর) আসনের সংসদ সদস্য; সঞ্চালনা করেন জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত জেলা সেক্রেটারি সৈয়দ রোকনুজ্জামান। এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় হুইপ নাহিদ ইসলামসহ জোটের শীর্ষ নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।






