আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইসলামের পক্ষে জোরালো ভূমিকা রাখতে দলের যুব সংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে সংগঠনটির ষষ্ঠ জাতীয় যুব কনভেনশনে তিনি প্রধান অতিথি ছিলেন।

চরমোনাই পীর বলেন, আলেম-ওলামা ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ইসলামী আন্দোলনের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে, তাই সব স্তরের মানুষের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে হবে। তাঁর দাবি, গত জাতীয় নির্বাচনের পর প্রমাণ হয়েছে, দলটি ইসলামের নাম ব্যবহার করে মানুষকে ধোঁকা দেয় না।

নারায়ণগঞ্জে যুব আন্দোলনের সহকারী সেক্রেটারি বুলবুল হত্যার বিচারসহ সব খুন, গুম ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার এবং দখলবাজ, চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজদের বিষদাঁত ভেঙে দেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।

কনভেনশনে আগের কমিটি বিলুপ্ত করে ২০২৭-২৮ মেয়াদের নতুন কমিটি ঘোষণা করেন চরমোনাই পীর। এতে সভাপতি হয়েছেন মুফতী মানসুর আহমদ সাকী ও সেক্রেটারি জেনারেল মুফতী রহমাতুল্লাহ বিন হাবিব; আগের কমিটিতে তাঁরা যথাক্রমে সেক্রেটারি জেনারেল ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন। সহসভাপতি হয়েছেন আ হ ম আলাউদ্দীন ও অ্যাডভোকেট বায়েজিদ হোসাইন।

দলের সিনিয়র নায়েবে আমির শায়খে চরমোনাই মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেন, যুব আন্দোলনের প্রত্যেক কর্মীকে হতে হবে আদর্শবান, নীতিবান ও চরিত্রবান। ভবিষ্যতে ইসলামী আন্দোলন ইসলামের ব্যানারে রাজনীতি করবে এবং কোনো মুনাফিককে তা ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না বলে জানান তিনি।

বিএনপির উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে ফয়জুল করীম তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম কমানোর দাবি জানান। তা না হলে জনগণকে নিয়ে কঠোর গণআন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন বলে জানান তিনি।

কনভেনশনে সভাপতিত্ব করেন যুব আন্দোলনের বিদায়ী সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিত। আরও বক্তব্য দেন দলের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান ও অধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী (সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য) প্রমুখ।