জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সহসভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল চীনের পিকিং ইউনিভার্সিটির ডংফাং স্কলারশিপ শেষ করে দেশে ফিরেছেন, আর নিজের এ অর্জন উৎসর্গ করেছেন প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে। কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‍্যাংকিং-২০২৭ তালিকায় বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান ১৩তম।

অ্যাম্বাসাডর নির্বাচিত হয়ে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে দেশে ফেরেন তিনি। ঢাকার বিমানবন্দরে তাঁকে বরণ করতে ছাত্রদলের সহস্রাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন; সেখানে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ ঘোষণা দেন।

খালেদা জিয়াকে আপসহীন দেশনেত্রী ও গণতন্ত্রের মা আখ্যা দিয়ে ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়াল বলেন, তিনি সবসময় পড়ালেখায় উৎসাহ দিতেন বলেই স্কলারশিপটি তাঁকে উৎসর্গ করছেন। জীবন দিয়েও আপস না করাতেই খালেদা জিয়া অনন্য ছিলেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমার এই অর্জন বাংলাদেশের অর্জন।’ তাঁর দাবি, অন্য দেশগুলো একটি করে সনদ পেলেও বাংলাদেশ পেয়েছে দুটি। ১৮৯৮ সালে প্রতিষ্ঠিত পিকিং বিশ্ববিদ্যালয় চীন ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির ইতিহাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত এবং ২০১৮ সাল থেকে এ স্কলারশিপ দিয়ে আসছে বলেও জানান তিনি।

এ সুযোগ পাওয়ার জন্য বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান ডা. আউয়াল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোর জন্য মাগফেরাতও কামনা করেন তিনি।