বিদ্যুৎ বিভাগের অধীন আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেডের (এপিএসসিএল) পর্ষদে গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র মো. ফারুক হাসানকে পরিচালক করা নিয়ে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়েছে। এর সমালোচনা করেছিলেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম এবং মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী; জবাবে দুজনকেই কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন ফারুক হাসান।
ফেসবুক পোস্টে সারজিস আলমকে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা উল্লেখ করে ফারুক হাসান লেখেন, তিনি আদৌ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র কিনা, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। তার যুক্তি, কোনো প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের পরিচালকেরা সরকারের গ্রেডভুক্ত আমলা নন, আর এটি বুঝতে পিএইচডি নয়, সাধারণ জ্ঞানই যথেষ্ট।
ফারুক হাসানের ইঙ্গিত, অতীতে ছাত্রলীগের ব্যানার ব্যবহার করে অনেকে ভর্তি পরীক্ষা না দিয়েই অবৈধভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকেছেন, সারজিসও সে পথে গিয়েছিলেন কিনা বলা যায় না; তাই তার ভর্তির কাগজপত্র পুনরায় যাচাই করতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানান তিনি। পোস্টের শেষে সারজিসকে তার পরামর্শ, ‘আপাতত রাজনীতি থেকে ইস্তফা দিয়ে পড়াশোনা করো, ভবিষ্যতে কাজে লাগবে।’
অন্য এক ফেসবুক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নিশানা করেন ফারুক হাসান। সেখানে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শিশু শাখা এবং পাটওয়ারীকে দলটির গালিগালাজ বিষয়ক সম্পাদক বলে কটাক্ষ করেন। তিনি আরও লেখেন, শহীদ ওসমান হাদী এদের জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিক্রিকারী গাদ্দার আখ্যা দিয়ে গেছেন এবং জনগণ যেন তাদের ক্ষমা না করে, সে কথাও বলে গেছেন।






