সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার অনুমতি পেয়েছেন মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি। ইয়েমেনের ইরানপন্থি হুথি বিদ্রোহীদের হামলা জোরদার হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (২৬ অক্টোবর) পার্লামেন্টের স্পিকার হিশাম বাদাওয়ির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভোটে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
পার্লামেন্টের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সৌদি আরব সহায়তা চাইলে দেশটির আত্মরক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সিসিকে। আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সিদ্ধান্তের ফলে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে উপসাগরীয় অঞ্চল ও লোহিত সাগরজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সংঘাতে মিসরের সরাসরি জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
লন্ডনের কিংস কলেজের জ্যেষ্ঠ গবেষক নওয়াফ ওবাইদ আল-জাজিরাকে বলেন, সৌদি কর্মকর্তারা আশ্বাস চেয়েছিলেন যে প্রয়োজন হলে মিসর তাদের পাশে থাকবে। তাঁর মতে, পার্লামেন্টের এই ভোটের মাধ্যমে কায়রো জানিয়ে দিয়েছে, সৌদি আরবের প্রয়োজন হলে তারা পাশে থাকবে। তবে রিয়াদ কী ধরনের সহায়তা চাইবে এবং মিসর কীভাবে তা দেবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
সম্প্রতি সৌদি আরবের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি আরামকোর স্থাপনায় হুথিদের হামলার পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। এসব হামলায় বিমান চলাচল ও তেল রপ্তানি ব্যাহত হয়েছে।
ইয়েমেনের রাজধানী সানা নিয়ন্ত্রণকারী হুথি সশস্ত্র গোষ্ঠী আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সমর্থন দেওয়া সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে, ফলে আগে থেকেই বিপর্যস্ত ইয়েমেনের মানবিক সংকট আরও গভীর হয়েছে।
এর আগে গত বুধবার সিসি বলেছেন, মিসর সামরিক পদক্ষেপ নিলে তা সৌদি আরবের ভূখণ্ড ও সীমান্ত রক্ষার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। ইয়েমেনে হামলা চালানোর উদ্দেশ্যে মিসর সামরিক অভিযান পরিচালনা করবে না বলেও তিনি জানান।
Source: জাগো নিউজ২৪






