ইরানের সঙ্গে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা এড়াতে আলোচনার পথ খোলা রাখার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে সৌদি আরব। সোমবার (২৬ অক্টোবর) তেহরানে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কয়েকটি দেশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বৈঠকের পর সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ অবস্থান জানায়।
সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমেই সংকটের সমাধান খুঁজতে হবে এবং এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর গঠনমূলক ও বাস্তবসম্মত উদ্যোগ প্রয়োজন। মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য অনুযায়ী, সামরিক উত্তেজনা আবারও মাথাচাড়া দেওয়া ঠেকাতে আলোচনার দরজা খোলা রাখা জরুরি।
একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ বন্ধে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টাকেও সমর্থন জানিয়েছে রিয়াদ। তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা।
আঞ্চলিক নিরাপত্তার দায় নিজেদের হাতে চায় ইরান
অন্যদিকে পশ্চিম এশিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এই অঞ্চলের দেশগুলোকেই—তেহরানে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পর এমন মত তুলে ধরেছেন ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসেন রেজায়ি। তিনি এ ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের বিদেশি হস্তক্ষেপ ঠেকানোর ওপরও জোর দেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে রেজায়ির বরাত দিয়ে বলা হয়, ইরানের জনগণের প্রতিরোধ ও দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর শক্তির কারণে অঞ্চলটিতে একটি নতুন ও ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনায়ও সেই প্রভাব প্রতিফলিত হচ্ছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।
রেজায়ি বলেন, ইরানের জনগণের প্রতিরোধের ফল প্রতিদিন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, চার দেশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা মনে করেন, পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই এই অঞ্চলের সমস্যার সমাধান সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, পশ্চিম এশিয়ার নিরাপত্তা আঞ্চলিক দেশগুলোর নিজেদের উদ্যোগেই নিশ্চিত করতে হবে এবং যেকোনো ধরনের বিদেশি হস্তক্ষেপ ঠেকাতে হবে।
Source: জাগো নিউজ২৪






