জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে প্যারিসের ১৬তম এরোনডিসমেন্টের বাংলাদেশ দূতাবাসে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) আলোচনা সভা ও স্মরণানুষ্ঠান হয়েছে। দূতাবাস জানায়, ৫ আগস্ট পাসপোর্টসংক্রান্ত সেবা সীমিত থাকবে বলে কর্মসূচি এক দিন এগিয়ে আনা হয়।
কোরআন তেলাওয়াতের পর নিহতদের স্মরণে নীরবতা পালন করা হয় এক মিনিট। দূতালয় প্রধান মো. ওয়ালিদ বিন কাশেমের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন খন্দকার এম. তালহা, যিনি ফ্রান্স ও মোনাকোতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং ইউনেস্কোতে দেশের স্থায়ী প্রতিনিধি।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ খায়রুজ্জামান মোল্লা (এনডিসি, পিএসসি), দূতাবাসের ডিফেন্স অ্যাটাশে, পড়েন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের দেওয়া বাণী; প্রধানমন্ত্রীর বাণী পড়েন মিনিস্টার (কমার্শিয়াল) মিজানুর রহমান। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের বাণীও পড়া হয়।
রাষ্ট্রদূত খন্দকার এম. তালহা সভাপতির বক্তব্যে বলেন, জাতি গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের আত্মত্যাগ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে এবং শহীদ পরিবারের প্রতি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা আছে। উন্নয়ন, সুশাসন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় প্রত্যেককে নিজ অবস্থান থেকে কাজের আহ্বান জানান তিনি।
প্রবাসী অতিথিদের মধ্যে ছিলেন আবুল খায়ের লস্কর, এম এ রহিম, ইফতেশাম চৌধুরী, জুনেদ আহমেদ, মনোয়ার পাটোয়ারী, ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম ও ফারুক আহমেদ এবং মোহাম্মদ আরিফ উল্লাহ (ফ্রান্স বাংলাদেশ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র, ফ্রান্স টুয়েন্টিফোরের সাংবাদিক)। দূতাবাসের প্রথম সচিব শেখ মারেফাত তারিকুল ইসলাম ও দ্বিতীয় সচিব কেএফএম শারহাদ শাকিলসহ কর্মকর্তারাও ছিলেন।





