ঈদুল আজহা সামনে রেখে কুয়েতে কোরবানির পশুর হাট জমে উঠলেও আলোচনায় এখন পশুর অস্বাভাবিক দাম। গরুর দাম বেশি বেড়ে যাওয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিসহ সাধারণ ক্রেতারা বেকায়দায় পড়েছেন।

হাটগুলোতে উট, গরু, দুম্বা ও ছাগল উঠলেও চাহিদা বেশি উট আর দুম্বার; দূরদূরান্ত থেকে প্রবাসীরা পশু কিনতে আসছেন।

ব্যবসায়ীরা জানান, কুয়েতে স্থানীয়ভাবে পশু উৎপাদন খুব কম; কোরবানির বাজার পুরোপুরি আমদানিনির্ভর, বেশির ভাগ পশু আসে সোমালিয়া, সুদান, ইথিওপিয়াসহ আফ্রিকার নানা দেশ থেকে। চলমান আঞ্চলিক যুদ্ধ পরিস্থিতি ও সমুদ্রপথের নিরাপত্তাঝুঁকিতে কয়েক মাস ধরে আমদানি ব্যাহত হওয়ায় সরবরাহ কমেছে, বিশেষ করে গরুর। তাই দাম গত বছরের চেয়ে অনেক বেশি।

এখন আকারভেদে একটি ছোট দুম্বা বা ছাগলের দাম ১২০ থেকে ৩৫০ কুয়েতি দিনার, বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৫০ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা। উটের দাম ৩৫০ দিনার থেকে শুরু হয়ে এক হাজার দিনার পর্যন্ত উঠছে। গরু কিনতে লাগছে ৫০০ কুয়েতি দিনার থেকে শুরু করে বড় আকারের হলে দুই হাজার দিনার পর্যন্ত, টাকার হিসাবে প্রায় দেড় লাখ থেকে ১০ লাখের কাছাকাছি।

দাম চড়া হওয়ায় হাটে ভিড় থাকলেও ক্রেতা কম, অনেকে শুধু দরদাম যাচাই করছেন। খরচ সামলাতে কেউ একাই দুম্বা কিনছেন, কয়েকটি পরিবার মিলে উট কেনার প্রস্তুতিও চলছে।

বাংলাদেশের মতো কুয়েতে যত্রতত্র পশু রাখা যায় না। তাই বেশির ভাগ ক্রেতা ঈদের আগের দিন বিকেলে বা ঈদের সকালে পশু কিনে সরাসরি সরকার নির্ধারিত কসাইখানায় জবাই করাতে চান।