কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার শিল্পনগরী আল্লারদর্গা বাজারে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে শাহীন ওরফে গেদু (৪০) নামের একজন গুরুতর আহত হন।
স্থানীয় সূত্রগুলো বলছে, এলাকায় মাদক কারবারকে কেন্দ্র করে বিএনপির সুজন ও শাহীন পক্ষের মধ্যে অনেক দিন ধরে বিরোধ চলছিল, তারই জেরে মঙ্গলবারের সংঘর্ষ। স্থানীয়দের দাবি, দুই পক্ষই বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত। জানা গেছে, পিয়ারপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফ খন্দকার সম্পর্কে সুজন ও শাহীন দুজনেরই চাচা।
অভিযোগ অনুযায়ী, মো. সুজন (২৫) ও জনি (৩০)সহ ৭-৮ জন ধারালো অস্ত্র নিয়ে শাহীনের ওপর চড়াও হন। হামলায় শাহীনের বাম হাতের বাহুতে মারাত্মক জখম হয়।
স্থানীয়রা প্রথমে তাকে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন, প্রাথমিক চিকিৎসার পর সেখান থেকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
দৌলতপুর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন জানান, ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না, খোঁজ নিয়ে পরে বিস্তারিত বলবেন। তবে বিএনপি নেতা আবিদ হাসান মন্টি সরকার, যিনি দৌলতপুর থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, বলেন, সংঘর্ষের খবর তিনি শুনেছেন এবং অপরাধী যে-ই হোক, তাকে বিচারের মুখোমুখি করে শাস্তি নিশ্চিত করা দরকার।
মন্টি সরকারের ভাষ্য, দলের নাম ভাঙিয়ে মাদকসহ নানা অপকর্মে জড়িতদের বিএনপি সমর্থন করে না; ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান তিনি।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালিদুর রহমান একজন আহত হওয়ার কথা নিশ্চিত করে জানান, এলাকায় বাড়তি পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। এখনো মামলা বা আটক হয়নি; তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।






