নিউইয়র্কের ব্যস্ততম এলাকাগুলোর একটি জ্যাকসন হাইটসের অলিগলি এখন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানানো বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ব্যানার-পোস্টারে ভরে গেছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে অংশ নিতে তাঁর নিউইয়র্কে পৌঁছানোর কথা; ২৪ সেপ্টেম্বর অধিবেশনে ভাষণ দেবেন তিনি।

জাতীয়তাবাদী যুবদল যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাষ্ট্র ও নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল যুক্তরাষ্ট্রসহ নানা অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন এসব ব্যানার টাঙিয়েছে। ব্যক্তিগত উদ্যোগেও অনেকে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়েছেন।

প্রচারসামগ্রীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পাশাপাশি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি রয়েছে, সঙ্গে আছে প্রচারকারীদের নিজেদের ছবিও। ডাইভারসিটি প্লাজায় গেলেই চোখে পড়ে বড় বড় ব্যানার, এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও সড়কেও ঝুলছে নানা ব্যানার-পোস্টার।

যুবদলের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি আবু সাঈদ আহমেদ এলাকার নানা গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পোস্টার ও ব্যানার লাগিয়েছেন; যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারাও ব্যানার-ফেস্টুন টাঙিয়েছেন। নিউইয়র্কে বসবাসরত যুবদলের এই নেতা ফেসবুকে কিছু ছবি শেয়ার করে লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি, অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে।

প্রিয় নেতাকে স্বাগত জানাতে বিএনপির শত-সহস্রাধিক নেতাকর্মী সর্বত্র প্রস্তুতি নিচ্ছেন উল্লেখ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে তাঁকে স্বাগত জানানোর আহ্বানও জানান তিনি। তবে ব্যানার-পোস্টারে অনেকের নাম দেখে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপিরই কয়েকজন নেতাকর্মী; তাঁদের অভিযোগ, দলের দুঃসময়ের আন্দোলন-সংগ্রামে যাঁদের দেখা যায়নি, তাঁদের অনেকে এখন বিপুল উৎসাহে নিজেদের ছবিসহ ব্যানার টাঙাচ্ছেন।

জানা গেছে, ৯৬ ঘণ্টার এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে থাকছেন মাত্র ২২ জন সফরসঙ্গী। নিউইয়র্কে অবস্থানকালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর দেখা হতে পারে; তবে কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, আনুষ্ঠানিক বৈঠকের কোনো কর্মসূচি নেই, বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানদের সম্মানে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সংবর্ধনায় তাঁদের সাক্ষাৎ হতে পারে।

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাস প্রধানমন্ত্রীর কয়েকটি কর্মসূচি নিয়ে কাজ করছে, যদিও সেগুলো এখনো চূড়ান্ত হয়নি।