বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্ক সফর উপলক্ষে সেখানকার জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরে বর্ণাঢ্য স্বাগত মিছিল করেছেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলোর যৌথ উদ্যোগের এ কর্মসূচিতে হাজারো প্রবাসী বাংলাদেশি যোগ দেন। কর্মসূচির প্রধান সমন্বয়ক ছিলেন আনোয়ার হোসেন খোকন, যিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক।
দীর্ঘ বিশ বছর পর এটিই তারেক রহমানের যুক্তরাষ্ট্র সফর। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে ৩৫ সদস্যের সফরসঙ্গী দল নিয়ে, যাঁদের মধ্যে স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানও আছেন, সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সকাল পৌনে ৬টার দিকে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছাড়েন। নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তাঁদের পৌঁছানোর কথা ছিল; সফর চলবে ২১ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর।
প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে টার্মিনাল-৮ চত্বরে জড়ো হন স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলোর হাজার হাজার নেতাকর্মী। পোস্টার, ব্যানার, ফেস্টুন আর জাতীয় ও দলীয় পতাকায় ছেয়ে যায় চারদিক; করতালি, উল্লাস আর ‘স্বাগত হে তারেক রহমান’সহ নানা স্লোগানে মুখর ছিল এলাকা।
মিছিলের আগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির শীর্ষ নেতারা। উপস্থিত নেতাদের মধ্যে ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য জিল্লুর রহমান জিল্লু, মিজানুর রহমান ভুঁইয়া মিল্টন, আব্দুল লতিফ সম্রাট ও গিয়াস আহমেদ। নিউ ইংল্যান্ড (বোস্টন), ক্যালিফোর্নিয়া ও নিউইয়র্ক মহানগর বিএনপির সভাপতি যথাক্রমে সৈয়দ বদরে আলম (সাইফুল), বদরুল আলম চৌধুরী শিপলু ও হাবিবুর রহমান সেলিম রেজাও সেখানে ছিলেন।
এ ছাড়া মাকসুদুল ইসলাম চৌধুরী (স্বেচ্ছাসেবক দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক), বিএনপি নেতা আখতার হোসেন বাদল, তোফায়েল আহমেদ লিটন (যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা), বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফোরাম, যুক্তরাষ্ট্রের মোতাহার হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রাশেদ রহমান এবং বাদল মির্জা ও এনামুল হক ভিকিসহ অনেক নেতাকর্মী সমাবেশে ছিলেন।
বক্তারা বলেন, তারেক রহমানের এ সফর প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ঐতিহাসিক এক মুহূর্ত। তাঁদের ভাষ্য, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও বিশ্বদরবারে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করায় তাঁর নেতৃত্ব ও দূরদর্শিতা প্রবাসীদের অনুপ্রাণিত করছে; সফর সফল করতে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতাকর্মীরা একজোট হয়ে কাজ করছেন।
মিছিলে যুবদল, ছাত্রদল, মহিলা দল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও বিভিন্ন স্টেট বিএনপির শীর্ষ নেতাদের পাশাপাশি সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারাও ছিলেন; নারীদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো। শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল শেষ হলে নেতাকর্মীরা আশা প্রকাশ করেন, এ সফরে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও মজবুত হবে।






