জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাষণ উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে আনন্দ ও স্বাগত মিছিল করেছেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল থেকে ম্যানহাটনে জাতিসংঘ ভবনের উল্টো দিকে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা নেতাকর্মীরা; ব্যানার, ফেস্টুন আর রঙিন পোস্টার হাতে স্লোগানে স্লোগানে এলাকা মুখর করে তোলেন তারা।
নিউইয়র্ক মহানগর দক্ষিণ বিএনপির পাশাপাশি ক্যালিফোর্নিয়া, ফ্লোরিডা, বোস্টন, নিউজার্সি, ওয়াশিংটন ডিসি, শিকাগো, পেনসিলভানিয়া, কানেকটিকাট, জর্জিয়া ও টেনেসি এবং কানাডা থেকেও বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক মিছিলে যোগ দেন। পুরো আয়োজনের সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খোকন। সমন্বয়ে তার সঙ্গে ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য গিয়াস আহমেদ, আবদুল লতিফ সম্রাট, জিল্লুর রহমান জিল্লু ও মিজানুর রহমান ভুঁইয়া মিল্টন।
মিছিলে অংশ নেওয়া নেতাদের মধ্যে ছিলেন টেনেসি স্টেট বিএনপির সভাপতি ড. তরিকুল ইসলাম, ওয়াশিংটন বিএনপির সেক্রেটারি জাকির হোসেন এবং বোস্টন বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাইফুল ইসলাম, যিনি বদরা সাইদ নামে পরিচিত। শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে মিছিলে আসেন হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা, যিনি নিউইয়র্ক মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি।
সেলিম রেজা বলেন, দেশের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের অধিবেশনে মাতৃভাষা বাংলায় বক্তব্য রেখেছেন, এতে তারা গর্বিত ও আনন্দিত। বীর মুক্তিযোদ্ধা ইমরানুল হক চাকলাদার (ফ্লোরিডা স্টেট বিএনপির সভাপতি) বলেন, প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্র সফর ঘিরে প্রবাসীদের মধ্যে উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে; প্রবাসীরাও দেশ নিয়ে ভাবেন, তাই তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসে নিজেদের পরিকল্পনা জানাতে চান।
ক্যালিফোর্নিয়া বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম ওয়াহিদ রহমান ও সভাপতি বদরুল আলম চৌধুরী শিপলুর নেতৃত্বে সেখান থেকেও একদল নেতাকর্মী আসেন। শিপলু বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উত্তরসূরি হিসেবে একই পরিবারের তৃতীয় প্রজন্মের প্রতিনিধি তারেক রহমান কূটনৈতিক অঙ্গনে দৃষ্টান্ত গড়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর একমাত্র কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানও পরিবারের চতুর্থ প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে একদিন জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষে ভাষণ দেবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
নিউইয়র্ক সময় বিকেল সোয়া ছয়টার দিকে সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী; আগের ধারাবাহিকতা মেনে এবারও তিনি বাংলায় বক্তব্য দেন। ১৫ মিনিটের বেশি সময়ের ভাষণে নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুনির্দিষ্ট রূপরেখা ও পরিকল্পনা তুলে ধরার পাশাপাশি যুদ্ধ-বিগ্রহ থামিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ার আহ্বান জানান তিনি।






