ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান একটি বড় রাজনৈতিক দলের সাধারণ সম্পাদকের ৭০০ অটোরিকশা থাকার অভিযোগ তোলার পর এর প্রমাণ প্রকাশের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির মতে, বক্তব্যটি তাদের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারকে, যিনি সাবেক সংসদ সদস্যও, লক্ষ্য করে দেওয়া; অভিযোগটিকে তারা কাল্পনিক, অসত্য, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।

৯ অক্টোবর শুক্রবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জামায়াত ডিএনসিসি প্রশাসকের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়। প্রমাণ দিতে না পারলে বক্তব্য প্রত্যাহার করে প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশেরও আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে।

এর আগে ওই দিন সকালে মেট্রোরেলের পিলারে জুলাই চিত্রাঙ্কন কর্মসূচিতে (মিরপুর-১২ থেকে আগারগাঁও) শফিকুল ইসলাম খান বলেছিলেন, একটি বড় রাজনৈতিক দলের সাধারণ সম্পাদক অটোরিকশাচালকদের দাবি সরকারের মেনে নেওয়া উচিত বলেছেন, যা তাঁর কাছে হাস্যকর মনে হয়েছে। তাঁর দাবি, অনুসন্ধানে দেখা গেছে ওই নেতার ৭০০টি অটোরিকশা আছে; জনগণের কাছে খোলস বদলে বারবার পার পাওয়া যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিবৃতিতে জামায়াত বলেছে, একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তার কাছ থেকে জনগণ তথ্যনির্ভর ও শালীন বক্তব্য আশা করে; কোনো দলের শীর্ষ নেতার ব্যক্তিগত মালিকানায় ৭০০ অটোরিকশা থাকার মতো গুরুতর অভিযোগ তোলার আগে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ হাজির করা অপরিহার্য।

দলটির বক্তব্য, অটোরিকশা চলাচল, যানজট, সড়কে শৃঙ্খলা ও চালকদের জীবিকার প্রশ্ন বাস্তবতা ও জনস্বার্থের আলোকে দেখা উচিত। এসব বিষয়ে কোনো দলের অবস্থানের বিরোধিতা করতে হলে তা যুক্তি, তথ্য ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ দিয়ে করা দরকার, প্রমাণ ছাড়া কোনো নেতাকে অভিযুক্ত করে নয়।