আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দেশ থেকে পাচার করা ও লুটপাটের অর্থে সজীব ওয়াজেদ জয়রা বিদেশে ফুর্তি করছেন—এমন অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
৯ অক্টোবর শুক্রবার কমল-কুঁড়ির এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জীবন, রাষ্ট্রচিন্তা ও জাতীয়তাবাদ বিষয়ে আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার দেওয়া হয় সেখানে; ছিল আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক পর্বও।
রাশেদ খাঁন বলেন, আওয়ামী লীগ এখন সজীব ওয়াজেদ জয়কে নেতা মানছে, অথচ বিদেশের রেস্তোরাঁয় বসে তাঁর মদ্যপানের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। তাঁর দাবি, আওয়ামী লীগের মন্ত্রীরা এখন ভারত, আমেরিকাসহ নানা দেশে অবস্থান করছেন, আর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হত্যাযজ্ঞের পরও যারা দলটির সঙ্গে পুনর্মিলনের কথা বলছে, তারা আসলে আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনতে চায়।
তাঁর ভাষায়, বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদলসহ সহযোগী সংগঠনগুলোর কর্মীরা কোনো ফ্যাসিস্ট শক্তিকে দেশের রাজনীতিতে আর ফিরতে দেবেন না।
রাশেদ খাঁন মনে করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বিএনপি ও তার সহযোগী সংগঠনগুলোর ভূমিকা যথাযথভাবে সামনে আনা হয়নি। শহীদ ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা নেতাকর্মীদের নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র বানানো দরকার বলে তিনি মত দেন, যাতে তাঁদের ত্যাগ জাতি জানতে পারে। ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানে ছাত্রদলসহ নানা ছাত্রসংগঠন ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভূমিকার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, সামাজিক মাধ্যমের ভিডিওগুলোতেই ছাত্রদলের প্রতিরোধের ছবি মেলে।
ছাত্ররাজনীতি প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, ছাত্রদল গণরুম-গেস্টরুমের নিপীড়নমূলক সংস্কৃতি ফেরায়নি, বরং মেধার বিকাশের মধ্য দিয়ে সারা দেশে গণতান্ত্রিক রাজনীতি গড়তে কাজ করছে; ছাত্রদল ও ছাত্রলীগ এক নয়।






