রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) পদে বহাল থাকছেন মো. শওকত আলী খান। তাঁর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের আদেশ জারির এক সপ্তাহ পর তা প্রত্যাহার করা হয়েছে।

গত ১৯ অক্টোবর অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছিল, ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হচ্ছে। এর এক সপ্তাহ পর সোমবার (২৬ অক্টোবর) সেই আদেশ প্রত্যাহার করা হয়।

এ বিষয়ে সোনালী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের নতুন চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, মো. শওকত আলী খানের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলের আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জাগো নিউজকে জানান, আদেশ প্রত্যাহারের ফলে শওকত আলী খান সোনালী ব্যাংক পিএলসির এমডি ও সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন চালিয়ে যাবেন এবং তাঁর দায়িত্বপালনে কোনো বাধা নেই।

প্রথমে কী বলা হয়েছিল

গত ১৯ অক্টোবর আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক-১ শাখা থেকে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছিল, ব্যাংক কোম্পানি আইন এবং পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিপত্র অনুযায়ী শওকত আলী খানের নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলে পরবর্তী বিধিগত কার্যক্রম নিতে হবে। চিঠিটি পাঠানো হয়েছিল সোনালী ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানের কাছে। সেখানে সরকারের সম্মতির পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

একই দিনে অপর দুই ব্যাংকের চিঠিও

ওই দিনই জনতা ব্যাংক পিএলসি এবং রূপালী ব্যাংক পিএলসির এমডি ও সিইওর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল সংক্রান্ত চিঠিও জারি করা হয়েছিল। আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক-১ শাখার একটি চিঠিতে বলা হয়, জনতা ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মজিবর রহমানের সঙ্গে পরিচালনা পর্ষদের সম্পাদিত চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলে সরকারের সুপারিশ ও সম্মতি দেওয়া হয়েছে।

একইভাবে রূপালী ব্যাংক পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলামের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলেও সরকারের সম্মতির কথা জানানো হয় ওই চিঠিতে। সেখানে আরও বলা হয়েছে, ব্যাংক কোম্পানি আইন এবং সংশ্লিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিপত্র অনুযায়ী তাঁদের নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিলে পরবর্তী বিধিগত কার্যক্রম নিতে হবে।

Source: জাগো নিউজ২৪