সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের এবং বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ইউক্রেন, ইরান, লেবানন ও ইয়েমেনে স্টারলিংক সেবা চালু অথবা বন্ধের জন্য নানা সময়ে ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের দ্বারস্থ হয়েছিল। ছয়জন সাবেক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে রয়টার্স জানিয়েছে, এমন অনুরোধের কথা এবারই প্রথম প্রকাশ্যে এল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, হুতি বিদ্রোহী ও হিজবুল্লাহর স্টারলিংক ব্যবহার ঠেকাতে স্পেসএক্সের সহায়তা চেয়েছিল বাইডেন প্রশাসন। আবার ইউক্রেনীয় বাহিনীর যোগাযোগ মজবুত করতে ও ইরানে ইন্টারনেট সুবিধা বাড়াতে সেবাটি চালুর উদ্যোগও নেওয়া হয়।

ইরানে ২০২২ সালের সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় সেখানে স্টারলিংক চালু করতে বলেছিল বাইডেন প্রশাসন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ২০২৫ ও ২০২৬ সালের হামলার পর ট্রাম্প প্রশাসনও ইরানে টার্মিনাল পাঠিয়ে সক্রিয় করা নিয়ে স্পেসএক্সের সঙ্গে কথা বলে, তবে সেগুলো চালু হয়েছিল কি না, তা কোনো পক্ষই প্রকাশ্যে নিশ্চিত করেনি।

এদিকে ইউক্রেনীয় বাহিনীর স্টারশিল্ড ব্যবহারে বিধিনিষেধ নিয়ে নতুন বিতর্ক উঠেছে। প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির অভিযোগ, এতে সামরিক ড্রোনের কাজে বিঘ্ন ঘটছে; মাস্কের দাবি, গতি ও ব্যবহারে লাগাম টানার নিয়ন্ত্রণ মার্কিন সামরিক বাহিনীর, চূড়ান্ত বিচারে প্রেসিডেন্টের হাতে। উদ্বিগ্ন ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের কেউ কেউ সামরিক স্যাটেলাইট যোগাযোগে ইউরোপের নিজস্ব ব্যবস্থার তাগিদ দিচ্ছেন।