যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করেছে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশন। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল সোয়া ১০টায় জাতীয় পতাকা তুলে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খাঁন চৌধুরী।
কমিউনিটির নেতা, মালয়েশিয়া বিএনপির সভাপতি আদলুর রহমান খান এবং জামায়াতে ইসলামী, গণঅধিকার পরিষদ, এনসিপিসহ বিভিন্ন দলের নেতা ও প্রবাসীরা অনুষ্ঠানে ছিলেন। শহীদদের মাগফেরাত কামনায় মোনাজাতের পর রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর বাণী পড়ে শোনান দূতাবাসের কর্মকর্তারা।
হাইকমিশনার মুক্তিযুদ্ধের শহীদ ও বীরাঙ্গনাদের শ্রদ্ধা জানিয়ে স্বাধীনতার ৫৫ বছরের অর্জন তুলে ধরেন। তিনি বলেন, মাথাপিছু আয় মাত্র ১০০ মার্কিন ডলার থেকে বেড়ে এখন ৩ হাজার মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে, গড় আয়ু প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে, আর একসময়ের দরিদ্রতম দেশগুলোর একটি এখন বিশ্বের ৩৫তম অর্থনীতি। অর্জনের পাশাপাশি ব্যর্থতাও কম নয় উল্লেখ করে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে ক্ষতির শিকার প্রবাসীদের প্রসঙ্গও তোলেন।
মালয়েশিয়া বিএনপির সভাপতি প্রকৌশলী আদলুর রহমান খান বলেন, স্বাধীনতার পর প্রথম বিদেশে কর্মী পাঠান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, আর ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে প্রবাসীদের জন্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করেন বেগম খালেদা জিয়া। ১ কোটির বেশি প্রবাসী রেমিট্যান্সযোদ্ধাকে শুভেচ্ছা জানান তিনি।
মাহবুব আলম শাহ ও আমিনুল ইসলাম রতনসহ অনেকে বক্তব্য দেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সবাই মিলে দেশ গড়া ও সিন্ডিকেটমুক্ত শ্রমবাজারের আহ্বান জানানো হয় অনুষ্ঠান থেকে। শেষে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা গান ও আবৃত্তি পরিবেশন করেন।




