সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে মালদ্বীপে আলোচনা ও স্মৃতিচারণ সভা করেছে বাংলাদেশ হাইকমিশন। মালদ্বীপ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের হলরুমে শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত সভায় দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীর রাজনীতি, নেতৃত্ব ও রাষ্ট্রগঠনে অবদানের কথা স্মরণ করা হয়।
প্রধান অতিথি ছিলেন ড. মো. নাজমুল ইসলাম, মালদ্বীপে বাংলাদেশের হাইকমিশনার। বিশেষ অতিথি ছিলেন মালদ্বীপের আলী হায়দার আহমেদ (উচ্চশিক্ষা ও শ্রমমন্ত্রী), মারিয়াম জুলফা (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী) ও জেফারি সেলিম ওয়াহিদ (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপমন্ত্রী)।
বিশ্ববিদ্যালয়টির চ্যান্সেলর মোহাম্মদ সাওগী ও ভাইস চ্যান্সেলর ড. আয়েশা সেহনাজ এডাম, ভারত, যুক্তরাজ্য ও পাকিস্তানের হাইকমিশনার, যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত এবং ইউনিসেফের প্রতিনিধিও সভায় ছিলেন। দেশ থেকে আমন্ত্রণ পেয়ে যোগ দেন অধ্যাপক ড. মামুন আহাম্মেদ, যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর।
অন্য অতিথিদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশ ফোরাম মালদ্বীপের সেক্রেটারি সাজ্জাদ হোসেন, মালদ্বীপ বিএনপির সভাপতি খলিলুর রহমান ও এমআই কলেজের প্রতিষ্ঠাতা আহমেদ মোক্তাদী; যোগ দেন বহু প্রবাসী বাংলাদেশিও। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন হাইকমিশনের কাউন্সিলর (শ্রম) মো. সোহেল পারভেজ।
বক্তারা দেশ গঠন ও গণতন্ত্র রক্ষায় খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব এবং তিনবার প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো, দারিদ্র্য বিমোচন ও নারীর ক্ষমতায়নে তাঁর ভূমিকার কথা তুলে ধরেন। কূটনৈতিক অঙ্গনে তাঁর অবদানের প্রশংসাও করেন তাঁরা।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সহধর্মিণী হিসেবে তাঁর ত্যাগ ও সংগ্রামের কথা স্মরণ করে রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়। পরে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হয়, যাতে বাংলাদেশ-মালদ্বীপ বন্ধুত্ব, কূটনৈতিক সহযোগিতা ও জনশক্তি খাতের চিত্রও উঠে আসে।





