মালদ্বীপের সামুদ্রিক পর্যটন খাতে সাফল্য পেয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশি মোশারফ হোসেন সাগর। দীর্ঘ পরিশ্রম আর পেশাগত দক্ষতায় তিনি এখন একটি সাফারি বোটের কোর্স ডিরেক্টরের দায়িত্বে।

মুন্সীগঞ্জের কুদ্দুস ব্যাপারীর ছেলে মোশারফ প্রায় আট বছর আগে কাজের খোঁজে মালদ্বীপে যান। শুরুতে সাধারণ কর্মী হিসেবে কাজ করলেও নানা প্রশিক্ষণ ও পেশাগত কোর্স শেষ করে ২০২৪ সালে স্কুবা ডাইভার হিসেবে যোগ দেন তিনি।

পরে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবে একটি সাফারি বোটের ইয়ুথ কোর্স ডিরেক্টরের দায়িত্ব পান। এখন তিনি দেশি-বিদেশি পর্যটকদের নিয়ে নিয়মিত গভীর সমুদ্রে ডাইভিং পরিচালনা করেন এবং তাদের নিরাপত্তা ও প্রশিক্ষণের দিকটি দেখেন।

মালদ্বীপের সামুদ্রিক পর্যটনে এখন এক হাজারের বেশি রিক্রিয়েশনাল ডাইভার ও প্রায় ৪০০ টেকনিক্যাল ডাইভার কাজ করছেন বলে জানা গেছে। পর্যটকদের নিরাপত্তায় কাজ করছেন অভিজ্ঞ শত শত ইনস্ট্রাক্টর ও ডাইভিং বিশেষজ্ঞ; খাতটিতে চলছে ৫২টি সাফারি বোট ও শত শত ছোট-বড় নৌযান।

সাগরের ভাষ্য, পর্যটকেরা যাতে নিরাপদে ও আনন্দে সময় কাটাতে পারেন, সে জন্য দক্ষ ও প্রশিক্ষিত ইনস্ট্রাক্টরদের ভূমিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এ খাতে কাজের সুযোগ পেয়ে তিনি গর্বিত বলে জানান; ভবিষ্যতেও দেশের সুনাম অটুট রেখে আরও ভালো কাজ করার ইচ্ছা তার।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মালদ্বীপের পর্যটনে বাংলাদেশিদের উপস্থিতি ও সাফল্য ক্রমেই বাড়ছে।