বিএনপির সরোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বৈধ বলে হাইকোর্টের দেওয়া রায় চ্যালেঞ্জ করে আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন, অর্থাৎ লিভ টু আপিল দায়ের করেছেন জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমীন। দুজনই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনের প্রার্থী ছিলেন।

নুরুল আমীনের আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী ১২ আগস্ট জানান, আবেদনে রায়ের কার্যকারিতা স্থগিতের পাশাপাশি এর নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সরোয়ার আলমগীরের সংসদ অধিবেশনে অংশ নেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে।

রিটার্নিং কর্মকর্তা সরোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণার পর ঋণখেলাপের অভিযোগে আপিল করেছিলেন নুরুল আমীন। ১৮ জানুয়ারি শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন প্রার্থিতা বাতিল করে দিলে তিনি হাইকোর্টে রিট করেন।

২৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট কমিশনের আদেশ স্থগিত করে তাকে নির্বাচনের সুযোগ দিতে বলেন, জারি করেন রুলও। এর বিরুদ্ধে নুরুল আমীনের লিভ টু আপিল ৩ ফেব্রুয়ারি মঞ্জুর হয়; এরপর সরোয়ার আলমগীর নির্বাচনের সুযোগ পেলেও আপিল নিষ্পত্তি পর্যন্ত ফল স্থগিত রাখার নির্দেশ দেয় আপিল বিভাগ।

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সরোয়ার আলমগীর জয়ী হন, তবে আদালতের আদেশে ফল আটকে থাকে। ১৬ জুন আপিল নিষ্পত্তি করে আপিল বিভাগ সম্ভব হলে দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলটি নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন। শুনানি শেষে ৯ জুলাই বিচারপতি ফাহমিদা কাদের এবং বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেন, সেদিনই তিনি শপথ নেন।