ঈদে মিলাদুন্নবী বিশ্বের মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র ও মর্যাদাপূর্ণ দিন বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। মানবকল্যাণ ও বিশ্বশান্তির জন্য মহানবী (সা.) যে নির্দেশনা দিয়ে গেছেন, তা হুবহু মেনে চলতে চান বলে জানান তিনি।

বুধবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে পলাশ উপজেলা মাল্টিপারপাস অডিটরিয়ামে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। সেখানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, মহানবী (সা.)-এর নির্দেশনা মানতে কোরআনের পাশাপাশি হাদিসও অনুসরণ করা হবে, আর এটিই ইসলামের শিক্ষা।

মঈন খান বলেন, এ দেশের মানুষ যুগের পর যুগ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সম্প্রীতি বজায় রেখে বসবাস করছে। ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে মহানবী (সা.)-এর গড়া শান্তিপূর্ণ সমাজ জাতীয় জীবনেও অনুসরণযোগ্য বলে মনে করেন তিনি। হিংসা, সংঘাত, মিথ্যা ও নৈতিক অবক্ষয় থেকে মুক্তির জন্য মহানবীর আদর্শের বিকল্প নেই বলেও জানান মন্ত্রী।

বক্তব্যে নিজ দলের প্রসঙ্গও টানেন মন্ত্রী। তাঁর দাবি, বিএনপি জনকল্যাণে কাজ করছে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিশ্রুতিগুলো একে একে বাস্তবায়ন করছেন। বিগত সরকার ১৭ বছরে যা পারেনি, ক্ষমতায় এসে ছয় মাসেই তাঁরা তার চেয়ে বেশি কাজ করেছেন এবং রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মাদ্রাসা, এমনকি মন্দিরেও অনুদান দিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

পলাশ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সাত্তার অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। মন্ত্রীর সহধর্মিণী ও দি মিলেনিয়াম ইউনিভার্সিটির চেয়ারপারসন অ্যাডভোকেট রোখসানা খন্দকারসহ স্থানীয় নেতারা বক্তব্য দেন।

এর আগে দুপুরে মন্ত্রী চরনগরদীতে বাড়ির পাশের পারিবারিক কবরস্থানে গিয়ে তাঁর বাবা, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী আবদুল মোমেন খান এবং মা খোরশেদা বানুর কবর জিয়ারত করেন।