প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষকে সমান চোখে দেখেন বলে দাবি করেছেন তার রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। প্রধানমন্ত্রীকে তিনি একজন অসাম্প্রদায়িক নেতা হিসেবে বর্ণনা করেন।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে জন্মাষ্টমী উৎসবে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

রাশেদ খাঁন বলেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এমন একটি দেশ গড়ার প্রত্যয় আছে, যেখানে ‘ধর্ম যার যার, কিন্তু নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার সবার।’

শ্রীকৃষ্ণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, হাজার বছরেরও বেশি আগে আবির্ভাব ঘটলেও শ্রীকৃষ্ণের জীবনদর্শন ও শিক্ষা এখনো প্রাসঙ্গিক; মানুষের মর্যাদা বংশে নয়, কর্মে নির্ধারিত হয়—এটাই তার শিক্ষা। সেই আদর্শে বৈষম্যহীন, শান্তিপূর্ণ ও মানবিক সমাজ গড়ার আহ্বান জানান তিনি।

সব ধর্মের মূল শিক্ষা হিসেবে শান্তি, শৃঙ্খলা, মানবতা ও সম্প্রীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ধর্মীয় পরিচয় বা রাজনৈতিক মতের কারণে কোনো নাগরিক যেন বৈষম্য বা নির্যাতনের মুখে না পড়েন, সেটিই সবার প্রত্যাশা।

রাজনৈতিক পরিচয়ের জেরে অতীতে সনাতন ধর্মাবলম্বী বিশ্বজিৎ হত্যার শিকার হয়েছিলেন উল্লেখ করে রাশেদ খাঁন বলেন, আর কেউ যেন এমন নৃশংসতার শিকার না হন এবং সহিংসতার সংস্কৃতি ফিরে না আসে, সে জন্য সবাইকে একজোট হতে হবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে জন্মাষ্টমীর তাৎপর্য তুলে ধরে সবাইকে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য রক্ষার আহ্বান জানান অধ্যাপক ড. রবীন্দ্রনাথ মণ্ডল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক।