গুলশানে সরকারবিরোধী মিছিলের সময় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে হওয়া মামলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম স্থগিত আওয়ামী লীগের ২৪ নেতাকর্মীর প্রত্যেকের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ্ ফারজানা হক শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে এ আদেশ দেন।
গুলশান থানার এসআই রুহুল আমিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে আসামিদের আদালতে হাজির করে প্রত্যেককে ১০ দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। শুনানিতে তিনি বলেন, ঘটনার মূল পরিকল্পনাকারী, ষড়যন্ত্রকারী ও অর্থদাতাদের শনাক্ত করা, জড়িত অন্য আসামিদের অবস্থান জানা এবং পলাতকদের গ্রেপ্তারের জন্য আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা দরকার।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মোক্তার হোসেন জানান, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেছিলেন। আরাফাত নামের এক আসামিকে তাঁর আইনজীবী শিশু দাবি করায় তাঁর শুনানি হয়নি, তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে; কাগজপত্র দাখিল ও আরও শুনানির জন্য রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দিন ঠিক করেছেন আদালত।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে গুলশান থানা এলাকায় জড়ো হন কার্যক্রম স্থগিত আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। নির্বাচিত সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করা ও সরকারকে বিপাকে ফেলার উদ্দেশ্যে তাঁরা সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান দেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এজাহার অনুযায়ী, তাঁরা ঘটনাস্থল ও আশপাশে ককটেল ফাটিয়ে আতঙ্ক ছড়ান এবং পুলিশ ছত্রভঙ্গ করতে গেলে পুলিশের দিকেও ককটেল ছোড়েন। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ দুই রাউন্ড রাবার বুলেট ছুড়লে তাঁরা পালিয়ে যান; ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ পাঁচটি ককটেল জব্দ করে।
মামলার বাদী গুলশান থানার এসআই মো. মাহবুব হোসাইন। এজাহারে ১১৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, অজ্ঞাতনামা আসামি আরও ৮০ থেকে ১০০ জন।






