ফেনীতে পুলিশের গুলিতে নিহত জাতীয়তাবাদী যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের পরিবার আর কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আগুনে সর্বস্ব হারানো পাঁচ পরিবারকে নতুন ঘর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। চৌদ্দগ্রামের ওই পরিবারগুলোর ঘরে আগুন দেওয়া হয়েছিল সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ায়।
চাবিগুলো হস্তান্তর হয় রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে, আলাদা দুটি অনুষ্ঠানে—একটি ফেনী সদরের ফরহাদনগর ইউনিয়নের ভোরবাজারে, অন্যটি চৌদ্দগ্রামের বাতিশা ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামে। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে চাবি তুলে দেন রুহুল কবির রিজভী, যিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা।
ফেনীতে প্রতিনিধিদলটি শহীদ হারুনের পরিবারের হাতে বাড়ির চাবি ও আর্থিক সহায়তা তুলে দেয়, এরপর হারুনের কবর জিয়ারত করেন তারা। সেখানে সংগঠনটির উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল এমপি ছাড়াও ফেনী-২ আসনের অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন ও ফেনী-১ আসনের রফিকুল আলম মজনুসহ কয়েকজন সংসদ সদস্য এবং জেলা বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
যুবদল নেতা হারুনুর রশিদ নিহত হন ২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর হরতালের সমর্থনে ফেনী শহরে মিছিল চলাকালে, পুলিশের গুলিতে। সংগঠনটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে তারেক রহমান ২০১৭ সালে হারুনের বড় মেয়ের বিয়ের ব্যয়ও বহন করেছিলেন।
গত ৪ এপ্রিল ২০২৬ সন্ধ্যায় চৌদ্দগ্রামের সোনাপুর গ্রামে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে পাঁচ পরিবারের বসতঘর পুরোপুরি পুড়ে যায়, ঘরবাড়ি ও জিনিসপত্র হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়ে তারা। তাদের দুর্দশার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ালে বিষয়টি তারেক রহমানের নজরে আসে; তার নির্দেশে মানবিক বিবেচনায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ পাঁচটি নতুন বাড়ি বানিয়ে দেয়।
চৌদ্দগ্রামের অনুষ্ঠানে ছিলেন মো. কামরুল হুদা, যিনি চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও ধানের শীষের প্রার্থী; একই সঙ্গে বিএনপির কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। একই জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম এবং কুমিল্লা মহানগর বিএনপির সভাপতি উৎবাতুল বারী আবুসহ স্থানীয় নেতারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।






