২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনে নির্যাতনের অভিযোগে পুলিশের সাবেক এডিসি (অতিরিক্ত উপকমিশনার) ইশতিয়াক আহমেদের বিরুদ্ধে করা অভিযোগের তদন্ত কতদূর এগোল, তা জানতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিশেষ সহকারী রাশেদ খাঁন। চিফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দেখা করেন তিনি।
বৈঠকের পর সাংবাদিকদের তিনি জানান, ২০২৫ সালের ৭ মে করা ওই অভিযোগের তদন্ত এখন কোন ধাপে আছে, তা জানতেই তার আসা।
রাশেদ খাঁনের ভাষ্য, ২০১৮ সালের ১ জুলাই রাজধানীর ভাসানটেক থেকে গ্রেপ্তারের পর মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয় ঘুরিয়ে তাকে ঢাকা মহানগর পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটে নিয়ে যাওয়া হয়। তার অভিযোগ, সেখানে ইশতিয়াক আহমেদের নেতৃত্বে হাত-চোখ বেঁধে, মুখে গামছা গুঁজে প্রায় ৩০ মিনিট নির্যাতন চালানো হয়, পরে ১৫ দিনের রিমান্ডেও নির্যাতন করা হয়; আরও অনেক আন্দোলনকারীর সঙ্গেও একই আচরণ হয়েছিল।
তার আরেকটি অভিযোগ, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় ড্রোন ও সিসিটিভিতে ধারণ করা ফুটেজ পরে মুছে ফেলায় ইশতিয়াক আহমেদ জড়িত ছিলেন, যাতে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি ও হত্যার প্রমাণ না থাকে। তখনকার সরকারের নির্দেশ ছাড়া এসব সম্ভব ছিল না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, রাশেদ খাঁনের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে এবং অভিযোগটি যাচাই-বাছাই চলছে। ঘটনায় আর কারা জড়িত ছিলেন এবং কোন উদ্দেশ্যে তাকে ধরে নিয়ে নির্যাতন চালানো হয়েছিল, সেটিও তদন্তের আওতায় আছে; তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে আইন মেনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে বলে জানান তিনি।






