প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন দাবি করেছেন, জামায়াত ও আওয়ামী লীগের পুরোনো প্রেম ফের জেগেছে। ঝিনাইদহের নতুন হাটখোলা মসজিদে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) জুমার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।

তাঁর অভিযোগ, আওয়ামী লীগের আমলে নির্যাতন, গুম ও হত্যার সবচেয়ে বড় শিকার ছিলেন বিএনপির নেতাকর্মীরা; তাই বিএনপি আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফেরাতে চাইবে, এমনটা হওয়ার কথা নয়।

সকালে ঝিনাইদহে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের বক্তব্যের জবাবে রাশেদ খাঁন বলেন, জামায়াতের অযৌক্তিক লংমার্চেও সরকার বাধা দিচ্ছে না।

ভোটে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে তাঁর দাবি, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কিছু হয়ে থাকলে তা হয়েছে জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পক্ষে। জামায়াতের আমীর ডা. শফিকুর রহমান বা এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রকৃত ভোটে জিতে সংসদে গেছেন বলে সাধারণ মানুষ মনে করে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

দুর্নীতির প্রশ্নে বিএনপি জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে এবং ঝিনাইদহে সড়কের কাজে সাম্প্রতিক অনিয়মসহ দলীয় নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে যেকোনো অভিযোগে দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে দাবি করেন রাশেদ খাঁন। উল্টো জামায়াতের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের লোকজনকে সুরক্ষা দিয়ে চাঁদাবাজির সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে, বলেন তিনি।

দেশকে অস্থিতিশীল করতে শেখ হাসিনা দিল্লি থেকে যে ভাষায় কথা বলছেন, জামায়াতের আমীরের বক্তব্যেও সেই সুর বলে অভিযোগ করেন রাশেদ খাঁন; ছাত্রলীগ ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাদের বক্তব্যেও এখন পার্থক্য নেই বলে মনে করেন তিনি।

দুই দলের অপতৎপরতা সামলেই সরকারকে দেশ চালাতে হচ্ছে জানিয়ে তিনি জামায়াতকে অস্থিতিশীলতার চেষ্টা থামিয়ে সরকারকে সহযোগিতার আহ্বান জানান। এ সময় জেলা বিএনপির সভাপতি মো. আব্দুল মজিদ উপস্থিত ছিলেন।