বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেককে সরিয়ে দেওয়ার দাবি উঠেছে—এমন খবরে ৯ অক্টোবর শুক্রবার জুমার পর জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে বিক্ষোভ করেছেন একদল মুসল্লি। খতিবকে সরানোর পেছনে জামায়াতে ইসলামী রয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন তাঁরা, যদিও এ অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

বিক্ষোভকারীরা ‘জামায়াত-শিবিরের আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’ এবং মওদূদীর নাম জুড়ে একই ধরনের স্লোগান দেন। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, ওলামা দল ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতারা এর নেতৃত্বে ছিলেন।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া একজন বলেন, এই খতিব সব মুসলমানের চোখের মণি, তিনিই এখানে থাকবেন ও নামাজ পড়াবেন; ইসলাম কোনো দলের নয়—ইসলাম আল্লাহর, তৌহিদীদের ও মুসলমানদের।

উল্লেখ্য, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে সমঝোতায় চারটি আসনে নিজেদের প্রতীকে লড়েছিল, তবে একটিতেও জেতেনি।

বিতর্কের সূত্রপাত সম্প্রতি, যখন মুফতি আব্দুল মালেক জামায়াতের আদর্শ এবং কওমি আলেমদের একাংশের জামায়াতের সঙ্গে জোট বাঁধার সমালোচনা করেন। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে তিনি ওই জোটে যোগ দেওয়াকে গোমরাহি বা পথভ্রষ্টতা বলেন এবং জামায়াতের লোগোর আকিমুদ-দ্বীন শব্দটি দিয়ে ইসলামের অপব্যাখ্যা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন; আপত্তি জানাতে গিয়ে তাঁকে নাউজুবিল্লাহ বলতেও শোনা যায়।

খতিবের এই বক্তব্যের পর ইসলামপন্থি দল ও আলেমদের মধ্যে বিতর্ক জোরালো হয়, ফেসবুকেও চলে তর্ক; তারই জের ধরে শুক্রবারের এই বিক্ষোভ ও জামায়াতবিরোধী স্লোগান।