যুক্তরাজ্যপ্রবাসী বৃহত্তর চট্টগ্রামের মানুষের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও মজবুত করতে লন্ডনে ঘোষণা করা হলো ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) আইঅন টেলিভিশনের কার্যালয়ে কেক কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে উৎসবের কার্যক্রম শুরু হয়।

অনুষ্ঠানে যুক্তরাজ্যের চট্টগ্রাম কমিউনিটির বিশিষ্টজন, চট্টগ্রামভিত্তিক বিভিন্ন সংগঠনের নেতা, গণমাধ্যমকর্মী ও আয়োজকদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম কেবল একটি ভৌগোলিক পরিচয় নয়, বরং সমৃদ্ধ ইতিহাস, সংস্কৃতি ও নিজস্ব গৌরবের নাম। এ কারণে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ ও শ্রেণি-পেশার ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে নিয়ে একটি সর্বজনীন উৎসব আয়োজনের তাগিদ দেন তাঁরা।

সভায় উৎসবের পরিকল্পনা, প্রস্তুতি, কর্মসূচি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়; উপস্থিত ব্যক্তিরা মতামত ও পরামর্শ দেন এবং একটি দল হিসেবে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেন। আয়োজকেরা জানান, দু-এক দিনের মধ্যেই উৎসবের রোডম্যাপ ও প্রাথমিক পরিকল্পনা জানানো হবে, পরে সবার মতামত নিয়ে কর্মসূচি চূড়ান্ত হবে।

প্রাথমিক পরিকল্পনায় চট্টগ্রামের সংগীত, কৃষ্টি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে বিশেষভাবে তুলে ধরার কথা রয়েছে। নতুন প্রজন্ম ও বৃহত্তর ব্রিটিশ সমাজের কাছে চট্টগ্রামের নিজস্ব পরিচয় ও বহুমাত্রিক সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগও থাকবে। আয়োজকদের আশা, সবার সক্রিয় অংশগ্রহণে এটি যুক্তরাজ্যে চট্টগ্রামের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সবচেয়ে বড় মিলনমেলা হয়ে উঠতে পারে।

অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন কাউন্সিলর সাইয়েদ ফিরোজ গানি, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব জাগির আলম, সুজন বড়ুয়া, শওকত মাহমুদ দিপু, মীরা বড়ুয়া, ডা. বিশ্বজিৎ রায় ও আসমা আলমসহ অনেকে। আইঅন টিভির কর্মকর্তারা এবং ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান আম্রসিয়ানের জুনায়েদ রিয়াজ ও ইমরান চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন। পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচির কারণে আসতে না পারা চট্টগ্রাম সমিতির আঞ্জুমান আরা নিজাম, ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন ও অনুপম সাহাসহ কয়েকজন উৎসবের সাফল্য কামনা করেছেন।