সারাদেশে বিভিন্ন সময়ে বন্ধ হয়ে যাওয়া সরকারি শিল্পকারখানা চালু করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করে নতুন শিল্পকারখানা স্থাপন এবং তরুণ ও যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার কথাও তিনি জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে বাগেরহাটে হযরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারতে যাওয়ার পথে ফকিরহাটের কাটাখালী মোড়ে আয়োজিত এক পথসভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে তাঁরা দেশের মানুষকে বলেছিলেন, বিএনপি যদি সরকার গঠনে সক্ষম হয় তাহলে দেশের মানুষের জন্য কাজ করবে। সেই ধারাবাহিকতায় সারাদেশে বিভিন্ন সময় বন্ধ হয়ে যাওয়া সরকারি শিল্পকারখানাগুলো চালু করা হবে।

তিনি জানান, শিল্পকারখানা চালু করার পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করে শিল্পকারখানা স্থাপন করা হবে। তাঁর ভাষায়, ‘আমরা আমাদের ছেলেমেয়েদের জন্য, তরুণ ও যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব।’

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সেই ধারাবাহিকতায় গত দুই সপ্তাহে তিনি দুইবার বাগেরহাটে এসেছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘একসময় খুলনা দেশের অন্যতম শিল্পাঞ্চল ছিল। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে বিভিন্ন কারণে এ অঞ্চলের অনেক শিল্পকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।’ তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, খুলনা, বাগেরহাট, কুষ্টিয়া ও চুয়াডাঙ্গাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল থেকে শুরু করে উত্তরাঞ্চলের পঞ্চগড় পর্যন্ত হাজার হাজার শিল্পকারখানা স্থাপন করা হবে। শিল্পকারখানা স্থাপনের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি এসব অঞ্চলের উন্নয়নও লক্ষ্য তাঁর।

এর আগে সকালে মোংলায় ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ও চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতাবিষয়ক সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সরকারপ্রধান। পরে মোংলা বন্দরের সুবিধাদি সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দুটি জেটি নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক সুবিধাদি উন্নয়ন কার্যক্রমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তিনি।

এরপর দুপুর দেড়টার দিকে তিনি হযরত খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন। মাজার জিয়ারত শেষে প্রধানমন্ত্রী খুলনার উদ্দেশে রওয়ানা দেন।

Source: জাগো নিউজ২৪