এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত সফটওয়্যারে ত্রুটি ধরা পড়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, বদলির আবেদনের জন্য সফটওয়্যার তৈরি করে অনেকে প্রস্তাব আনলেও যাচাইয়ের পর সেটিতে ত্রুটি পাওয়া যায়।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নিয়ে আয়োজিত এক সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, অনেকেই একটি সফটওয়্যার তৈরি করে এর মাধ্যমে আবেদন আহ্বান করার প্রস্তাব তাঁর কাছেও নিয়ে এসেছিলেন। তবে যাচাই করে দেখা যায়, সিস্টেমটি ত্রুটিপূর্ণ।

সভায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘একটু চিন্তা করে দেখুন, আমি যদি তখন না বুঝে ওই বাটনে প্রেস করে দিতাম, তাহলে ঢাকার নামি-দামি স্কুলগুলোতে শিক্ষকরা না গিয়ে চট্টগ্রাম বা অন্য অঞ্চলের শিক্ষকরা হঠাৎ করে ভিড় জমাতেন। তখন পরদিন আমার বিরুদ্ধে কী অবস্থা তৈরি হতো, একবার ভেবে দেখুন।’

তিনি স্পষ্ট করেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির সুযোগ দেওয়া হবে, তবে সবকিছুই হতে হবে নির্ধারিত নিয়মের মধ্যে। বদলির ক্ষেত্রে কোনোভাবেই ফ্রি স্টাইল বা অতিরিক্ত স্বাধীনতা দেওয়া হবে না।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘শিক্ষক বদলির ক্ষেত্রে আমরা সুযোগ দেব, তবে সবকিছু নিয়মের মধ্যে হতে হবে। কোনোভাবেই ফ্রি স্টাইল বা অতিরিক্ত স্বাধীনতা দেওয়া যাবে না।’ তাঁর ভাষ্যে, অনেক সময় অতিরিক্ত স্বাধীনতাও ভালো ফল আনে না। বদলির সুযোগ থাকবে, কিন্তু নিয়মবহির্ভূত সুযোগ বা স্বেচ্ছাচারিতা বরদাশত করা হবে না।

সভায় অন্যদের মধ্যে কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব দাউদ মিয়া, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

সভা সূত্র জানায়, বদলি বিষয়ে এদিন কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক দেশে ফেরার পর এ বিষয়ে আবারও সভা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Source: জাগো নিউজ২৪