ইতালির রোমে স্ত্রী ও মেয়েসহ খুন হওয়া প্রবাসী কামাল উদ্দিন বাবুলের বাবা সিরাজুল ইসলাম দাবি করেছেন, প্রায় এক বছর আগে তার ছেলেকে খুনের হুমকি দিয়ে বাড়িতে একটি উড়ো চিঠি এসেছিল। নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে গ্রামের বাড়িতে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানান।
শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে চরকাঁকড়া ইউনিয়নে কামাল উদ্দিনের বাড়িতে শোকার্ত পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে ভিড় করেন স্বজন ও প্রতিবেশীরা।
সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রায় এক বছর আগে ছেলে দেশে এলে ওই চিঠি পাঠানো হয় এবং বিষয়টি মৌখিকভাবে কোম্পানীগঞ্জ থানাকে জানানো হয়েছিল। তার দাবি, খুনে জড়িত বাবুলেরই বন্ধু, একই গ্রামের প্রবাসী শাহাদাত। তিনি জানান, শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত প্রায় ৯টায় রোমের পশ্চিমাঞ্চলীয় অরেলিও এলাকায় ভিয়া মন্টিগ্লিও সড়কের এক আবাসিক ফ্ল্যাটে হত্যাকাণ্ডটি ঘটে।
নিহতরা হলেন কামাল উদ্দিন বাবুল (৩৯), স্ত্রী মমতাজ বেগম আরজু (৩৮) ও পাঁচ বছরের মেয়ে আরওয়া ইসলাম আরিশা। বাবুল চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। দম্পতির ১৮ বছরের ছেলে আমির হোসেন অয়ন হামলায় গুরুতর জখম হন।
ইতালির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ফ্ল্যাট থেকে চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা পুলিশে খবর দিলে রক্তাক্ত তিনটি মরদেহ উদ্ধার হয়। কর্মকর্তারা জানান, ধারালো অস্ত্রের একের পর এক আঘাতে তাদের হত্যা করা হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, হাসপাতালে ভর্তি অয়ন এখন শঙ্কামুক্ত।
বিষয়টি নিয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল হাকীমের ভাষ্য, সে সময় পরিবারটি মৌখিকভাবে পুলিশকে হুমকির কথা জানিয়েছিল। এরপর রাতের নিয়মিত টহলের মাধ্যমে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয় বলে জানান তিনি।






