অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরনের কাছে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বন্দুকধারীদের হামলায় দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পর শহরটিতে বড় সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েল। হেবরন ও আশপাশে নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি ফিলিস্তিনিদের ঘরবাড়ি ও স্থাপনা ভাঙার পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে।
সেনাবাহিনীর ভাষ্য, মোহাম্মদ জাবা ও ফিরাস জাবা নামের দুই ফিলিস্তিনি বন্দুকধারী শহরে ঢোকার মুখে একটি সেনাচৌকিতে হামলাটি চালান। টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, ২৭ বছর বয়সী দুজনই হেবরনের বাসিন্দা ও একই পরিবারের সদস্য; তাঁদের বাড়ি ভাঙার প্রস্তুতি নিয়েছে সেনারা।
শুক্রবার রাতেই হেবরনে বড় অভিযানের ঘোষণা দেয় সেনাবাহিনী, যাতে অংশ নিচ্ছে শিন বেত গোয়েন্দা সংস্থা, সীমান্ত পুলিশ ও বেসামরিক প্রশাসনও। সেনাবাহিনীর দাবি, অস্ত্রের সন্ধান, সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর অবকাঠামো চিহ্নিত করা ও সন্দেহভাজনদের জেরা করাই লক্ষ্য; অভিযান চলতে পারে কয়েক দিন।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু হামলাকারীদের এলাকা পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। অভিযানে ফিলিস্তিনিদের ঘর থেকে সরিয়ে দেওয়া এবং বুলডোজারে স্থাপনা ধ্বংসের ঘটনাও ঘটেছে।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ একে যৌথ শাস্তি বলে অভিহিত করেছে। ঘরবাড়ি ধ্বংস ও জোর করে উচ্ছেদের আশঙ্কা জানিয়ে আন্তর্জাতিক মহলকে ব্যবস্থা নিতে বলেছে মানবাধিকার সংগঠন বি’তসেলেম।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় যুদ্ধ বাধার পর থেকে পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারী ও ইসরায়েলি সেনাদের হামলায় নিহত হয়েছেন এক হাজার ১০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি।






