রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকা থেকে শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে অর্ণব দাস (৩৭) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। সেখানে অবস্থানের সময় তাকে ধরে পুলিশের গাড়িতে তুলে ধানমন্ডি থানায় নেওয়া হয়।

পুলিশের দাবি, অর্ণব যুবলীগের কর্মী এবং শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সেখানে ফুল দিতে গিয়েছিলেন; যুবলীগ আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সহযোগী সংগঠন। ধানমন্ডি থানার ওসি ইমদাদুল ইসলাম তৈয়বের ভাষ্য, আটক ব্যক্তি যুবলীগের সক্রিয় সদস্য, তার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলে; বর্তমানে তিনি থানায় পুলিশ হেফাজতে আছেন এবং যাচাই-বাছাইয়ের পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় কোনো নাশকতার আশঙ্কা নেই। থানায় নেওয়ার সময় অর্ণব সাংবাদিকদের বলেন, বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার অন্যতম মুখ্য সংগঠক, সে কারণেই একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন; কোনো রাজনীতির সঙ্গে তার সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

অর্ণবের দাবি, তিনি রাজধানীর একটি স্কুলের শিক্ষক। তার বাড়ি টাঙ্গাইলের হিরানগরের দেলদুয়ারে। স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন, তিনি ধানমন্ডির আলিফ গার্লস স্কুলে শিক্ষকতা করেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোররাতে সপরিবারে হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে; সেই রাতে গুলিতে তার পরিবারের ১৮ জন নিহত হন, রেহাই পাননি শিশু রাসেল ও অন্তঃসত্ত্বা নারীও। শনিবার ছিল তার ৫১তম শাহাদাতবার্ষিকী।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দেশের বাইরে থাকা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা সেখান থেকেই এবার মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। যুবলীগ ও ছাত্রলীগসহ সহযোগী সংগঠনগুলো শোক জানিয়ে পোস্টারিং, খাবার বিতরণ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেছে; প্রবাসেও দলটির নেতারা নানা সংগঠনের ব্যানারে আলোচনা সভা ও দোয়ার আয়োজন করেছেন।