গণঅভ্যুত্থানের এক মাসের মধ্যেই জামায়াতে ইসলামীর আমির আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা করেছিলেন বলে অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। তার দাবি, এতে আওয়ামী লীগ ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে ওঠে এবং অপরাধীরা আরও বেপরোয়া হয়।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডি থেকে দেওয়া পোস্টে তিনি লেখেন, মূলত ভোটের হিসাব থেকেই জামায়াতের আমির এই নমনীয়তা দেখান, যা দলটির বিচারের পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
রাশেদ খাঁনের দাবি, এরপর আওয়ামী লীগ করা লোকজন জামায়াতে যোগ দিলে পুরো দায় নেওয়ার কথা বলা হয় এবং প্রকাশ্যে বা গোপনে তারা রাতারাতি জামায়াতে ভিড়ে যান। আওয়ামী লীগের ভোটব্যাংকে ভর করে ক্ষমতায় যাওয়ার লোভেই আওয়ামী অপরাধীদের বিচার হয়নি, আর অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধনের সঙ্গে বেপরোয়া আচরণ তারই ফল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তার মতে, আওয়ামী লীগ সুযোগের অপেক্ষায় আছে এবং ফিরতে পারলে প্রথম প্রতিশোধটা নেবে জামায়াতের ওপরই। তাই আওয়ামী লীগের ব্যবসায়ী ও নেতাদের কাছ থেকে লংমার্চ বা কর্মসূচির অর্থ ও প্রাডো গাড়ি নিয়ে পুনর্বাসন বন্ধে জামায়াত ও এনসিপির প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।
আওয়ামী লীগকে জাতির শত্রু আখ্যা দিয়ে দলটি ও এর অপরাধীদের বিচারে সামাজিক-রাজনৈতিক ঐক্যের আহ্বান জানান রাশেদ খাঁন। সাধারণ ক্ষমা দিয়ে বিচারে বাধা তৈরির জন্য সংসদে জাতির কাছে জামায়াতের আমিরের নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া এবং বিচারের দাবিতে ঐকমত্যের প্রস্তাব আনা উচিত বলেও মনে করেন তিনি। পোস্টের শেষে তিনি লেখেন, বিএনপি সরকার বিচার করবে, কিন্তু ভোটের জন্য জামায়াত গোপনে পুনর্বাসন চালালে আওয়ামী লীগ ভবিষ্যতে আবার প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠবে।






