সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যা থেকে ৮ জিলহজ মিনায় অবস্থানের মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা। মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই ধর্মীয় সমাবেশে এবার হাজিদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ অসহনীয় গরম।
সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) পূর্বাভাস অনুযায়ী, মক্কা ও আশপাশের পবিত্র স্থানগুলোতে তাপমাত্রা ৪৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠতে পারে। তাই হাজিদের জন্য তাপ থেকে সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।
সৌদি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হাজিদের নিয়মিত ছাতা ব্যবহারের আহ্বান জানিয়ে বলেছে, হজের আচার পালনের সময় রোদ, হিটস্ট্রোক, গরমজনিত অসুস্থতা ও পানিশূন্যতা এড়াতে এটি গুরুত্বপূর্ণ সুরক্ষা। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, ছাতা চারপাশের তাপমাত্রা প্রায় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমাতে ও শরীরের ওপর চাপ কমাতে পারে।
জাতীয় আবহাওয়া কেন্দ্র জানিয়েছে, মদিনা, মক্কা ও পবিত্র স্থানগুলোর সংযোগ সড়কে দিনভর খুব গরম থাকবে; মক্কায় ৪৭ ও মদিনায় ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা উঠতে পারে। আর্দ্রতা হতে পারে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত, খোলা জায়গায় ধূলিঝড়ের আশঙ্কাও আছে। যাত্রার আগে যানবাহন ভালো করে পরীক্ষা, নিরাপত্তা নির্দেশনা মানা ও পর্যাপ্ত পানি পানের পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।
এ বছর প্রায় ১৬ লাখ হাজি মক্কায় সমবেত হবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, ফলে গরম সামলানো ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ। ইসলামিক বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানায়, হজ, উমরাহ ও ভিজিট প্রোগ্রামে বাদশাহর পক্ষ থেকে ১০৪টি দেশের ২৫০০ হাজির থাকা ও চিকিৎসার প্রস্তুতি শেষ হয়েছে।
এসপিএ জানায়, মক্কা ও পবিত্র স্থানগুলোতে আধুনিক রোগনির্ণয় ও জরুরি চিকিৎসার সুবিধাসহ বিশেষায়িত ক্লিনিকে দক্ষ চিকিৎসকেরা ২৪ ঘণ্টা সেবা দিচ্ছেন।






