২০২৬ সালের হজ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের দক্ষতা, শৃঙ্খলা ও সমন্বয়ের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ড. তৌফিক বিন ফাউজান আল-রাবিয়াহ, সৌদি আরবের হজ ও উমরাহ মন্ত্রী। বুধবার (১০ জুন) রিয়াদের দ্য পিলগ্রিমস এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রাম সেন্টারে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)-এর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সৌদি মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশি হজযাত্রীদের সেবায় এবার ধর্ম মন্ত্রণালয় দক্ষতা, দায়িত্বশীলতা ও দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছে। হাজিদের সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করায় তিনি ধর্মমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান এবং তাঁর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ পাঠান।

আগামী বছরের হজকে আরও আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও যাত্রীবান্ধব করার লক্ষ্যে সৌদি সরকারের নানা উদ্যোগের কথাও জানান ড. আল-রাবিয়াহ এবং এ কাজে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ও সহযোগিতা চান।

ধর্মমন্ত্রী হজ ব্যবস্থাপনার অভূতপূর্ব উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের জন্য সৌদি সরকারকে কৃতজ্ঞতা জানান। হাজিদের নিরাপত্তা, পরিবহন সমন্বয়, স্মার্ট উপায়ে ভিড় সামলানো, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, মাশায়ের এলাকায় সেবার বিস্তার ও অবকাঠামো উন্নয়নের বিশেষ প্রশংসা করেন তিনি।

ধর্মমন্ত্রী জানান, লাখো হাজির নির্বিঘ্ন ইবাদত নিশ্চিত করে সফলভাবে হজ আয়োজনের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সৌদি সরকার, বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ (পবিত্র দুই মসজিদের খাদেম) এবং প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান (ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী)-এর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

ধর্মমন্ত্রীর মতে, আল্লাহর মেহমানদের সেবায় সৌদি আরব হজ ব্যবস্থাপনাকে যে উচ্চতায় নিয়েছে, তা গোটা মুসলিম বিশ্বের জন্য অনুকরণীয়। হজের ধারাবাহিক উন্নয়ন ও মুসলিম উম্মাহর কল্যাণে আগামী দিনেও বাংলাদেশ সৌদি আরবের পাশে থাকবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ দেলওয়ার হোসেন ও কাউন্সিলর (হজ) মো. কামরুল ইসলামসহ দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে ছিলেন।