টেনেরিফের ফরোয়ার্ড হেসুস দে মিগেলের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় জড়িত থাকার পর ইকুয়েটোরিয়াল গিনির জাতীয় দল থেকে বাদ পড়েছেন গোলকিপার হেসুস ওওনো। চলতি মাসে আফ্রিকান কাপ অব নেশন্সের বাছাইপর্বের ম্যাচগুলোর জন্য তাঁকে স্কোয়াডে রাখা হয়নি বলে বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) জানিয়েছে দেশটির ফুটবল ফেডারেশন।

স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের আন্দোরা ও টেনেরিফের ম্যাচে ওওনো ও দে মিগেলের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় দে মিগেলকে নিবিড় পরিচর্যা (আইসিইউ) কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার সকালে ৩০ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড মারা যান।

কিশোর বয়স থেকেই ইকুয়েটোরিয়াল গিনির এক নম্বর গোলকিপার হিসেবে খেলেছেন ওওনো। দলটির হয়ে সর্বশেষ তিনটি আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সের মূল পর্বেও মাঠে নেমেছেন তিনি। ২০২৭ আফকনের বাছাইপর্বের প্রথম দুই ম্যাচে গোলপোস্টের দায়িত্বও সামলেছেন ২৫ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক। তবে ১২ নভেম্বর বাতায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এবং ১৬ নভেম্বর হারারেতে ফিরতি ম্যাচে তিনি খেলবেন না।

বুধবার এক বিবৃতিতে নিজের শোক প্রকাশ করেছেন ওওনো। তিনি বলেন, ‘এগুলো আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন দিন। কী বলবো, তা খুঁজে পাচ্ছি না। যা ঘটেছে, তা মেনে নেওয়াও আমার জন্য খুব কঠিন। আমি জানি, অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। সর্বোচ্চ সম্মানের সঙ্গে সবকিছুর মুখোমুখি হবো।’

তিনি আরও বলেন, ‘তবে সৎভাবে বলতে গেলে, এই মুহূর্তে হেসুস এবং যে যন্ত্রণা আমরা পাচ্ছি, এর বাইরে কিছুই ভাবতে পারছি না। শান্তিতে ঘুমাও, হেসুস।’

দে মিগেলের মৃত্যুর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনা ও হয়রানির শিকার হন ওওনো। তাঁর ইনস্টাগ্রাম পোস্টে কেউ কেউ তাঁকে ‘খুনি’ বলেও মন্তব্য করেন। এরপর মঙ্গলবার নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করে দেন এই গোলকিপার।

এদিকে ওওনোর পাশে দাঁড়িয়েছে ইকুয়েটোরিয়াল গিনি ফুটবল ফেডারেশন। মঙ্গলবার দেওয়া এক বিবৃতিতে তারা জানায়, ২৫ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক গভীর শোক ও মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।

Source: জাগো নিউজ২৪