ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমনের (২৭) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তাঁর রুমমেট হিশাম সালেহ আবুঘারবিয়াহকে (২৬) গ্রেপ্তার করেছে হিলসবোরো কাউন্টি পুলিশ। সংবাদমাধ্যম নিউজউইকের খবর, হিশাম মার্কিন নাগরিক এবং তাঁর বিরুদ্ধে আগেও একাধিক সহিংস অপরাধের অভিযোগ ছিল।

আদালতের রেকর্ড অনুযায়ী, ২০২৩ সালের মে ও সেপ্টেম্বরে তাঁর বিরুদ্ধে শারীরিক হেনস্তা ও চুরির অভিযোগ ওঠে, যদিও তখন সেগুলো তুলনামূলক লঘু হিসেবে ধরা হয়েছিল। সহিংস আচরণের কারণে পরিবারেরই এক সদস্য দুটি পারিবারিক সুরক্ষা নিষেধাজ্ঞা চেয়েছিলেন, যার একটি আদালত মঞ্জুর করে; ট্রাফিক আইন ভাঙার একাধিক অভিযোগও আছে তাঁর নামে।

ভূগোল, পরিবেশবিজ্ঞান ও নীতি বিষয়ে লিমনের পিএইচডি চলছিল ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় (ইউএসএফ)। ১৬ এপ্রিল অফ-ক্যাম্পাস বাসভবনে তাঁকে শেষবার দেখা যায়; এর এক ঘণ্টা পর সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ভবনে শেষবার দেখা যায় নিখোঁজ আরেক শিক্ষার্থী বৃষ্টিকে। দুজনের সাড়া না পেয়ে এক বন্ধু পুলিশে জানালে তদন্ত শুরু হয়।

শুক্রবার সকালে টাম্পার হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজে লিমনের মরদেহ মেলে। সেদিন সকালেই হিশামের বাড়ি থেকে পারিবারিক সহিংসতার ফোন পেয়ে পুলিশ গেলে তিনি প্রথমে আত্মসমর্পণে রাজি হননি; সোয়াত টিম তলবের প্রায় ২০ মিনিট পর বেরিয়ে এলে তাঁকে হেফাজতে নেওয়া হয়।

তাঁর বিরুদ্ধে প্রহার, পারিবারিক সহিংসতা, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট, মরদেহ সরানো ও মৃত্যুর খবর না জানানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্ত চলছে।